ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং

এস.এস.সি. এর পর পরই ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং হতে পারে একজন শিক্ষার্থীর পছন্দের বিষয়। দেশিয় গার্মেন্টস শিল্পের অবস্থা আজ দেশে এবং বিশ্বে স্বীকৃত। এখানে রয়েছে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের সুযোগ। তৈরি পোশাক শিল্পের অর্থাত্ গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির পেছনে রয়েছে আরো অনেক শিল্প যা এ শিল্পের উপকরণ যোগায়। পোশাক শিল্প চলে কিছু ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায়। এ শিল্পে প্রথম তৈরি হয় সুতা, তারপর কাপড় (ফেব্রিক), পরে ডাইং, ফিনিশিং হয়ে আসে গার্মেন্টস এ। এসব প্রক্রিয়ার জন্য রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন শিল্পকারখানা। যেমন সুতা তৈরির মিল হল স্পিনিং মিল, কাপড় তৈরির মিল হল নিটিং ও উইভিং মিল, ফিনিশিং ও কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট এর জন্য ডাইং মিল। এগুলো হল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার নিয়ন্ত্রিত শিল্প। তাছাড়া রয়েছে ফ্যাশান হাউস, বাইং হাউস, বিভিন্ন মার্কেটিং গ্রুপগুলোর মধ্যে বিভিন্ন টেক্সটাইল কেমিক্যালের ব্যবসা অন্যতম। এক সময় ফ্যাশন ডিজাইন ও ফ্যাশন ব্র্যান্ড বাংলাদেশের জন্য খুব পরিচিত ছিল না। কিন্তু এখন এ দেশেও গোব্লাল ব্র্যান্ড তৈরি হচ্ছে।

কর্মক্ষেত্র

যেখানেই বস্ত্র এবং বস্ত্র সংশ্লিষ্টতা রয়েছে সেখানেই টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের কর্মস্থল। দেশে প্রতি বছর নতুন নতুন অনেক টেক্সটাইল কারখানা স্থাপিত হচ্ছে। আর তাই সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র। সাধারণত একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার যেসব কারখানায় চাকরি করতে পারেন। যেমন— শিল্প কারখানার মধ্যে জুট, কার্পেট, স্পিনিং, উইভিং, নিটিং, ডাইং প্রিন্টিং, ওয়াশিং, এমব্রয়ডারি, ফিনিশিং এবং গার্মেন্টস ও গার্মেন্টস এক্সেসরিজ মিলস ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরি করার সুযোগ রয়েছে। ট্রেড ও কমার্সের মধ্যে মার্চেন্ডাইজিং, সুপার স্টোর, বিক্রয় নির্বাহী, শিল্প ব্যাংক এবং টেক্সটাইল দ্রব্যাদি আমদানি ও রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানে টেক্সটাইল উপ-সহকারী ইঞ্জিনিয়ার বা উচ্চপদে চাকরি করতে পারেন।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কি???

সাবজেক্ট রিভিও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পৃথিবীর প্রাচীনতম ইঞ্জিনিয়ারিং বলতে গেলে যে বিষয়টি মানুষের মাথায় খেলা করে তা হলো সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বা পুরকৌশল।।একজন সাধারণ মানুষ ইঞ্জিনিয়ার বলতে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারকেই কল্পনা করে থাকেন। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সভ্যতার শুরু থেকেই বিস্তার লাভ করে আসছে। বাংলাদেশের এমন কোন জায়গা নেই যেখানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের ছোঁয়া লাগেনি। সবচেয়ে পুরাতন, বড় এবং সকল প্রকৌশল জ্ঞানের সমন্বয় এই সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজঃ সুউচ্চ ভবন, হাইওয়ে,ব্রীজ,পানি প্রকল্প, পাওয়ার প্লান্ট ইত্যাদি পরিকল্পনা, ডিজাইন, গঠন এবং রক্ষনাবেক্ষন করার কাজ করের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। সিভিল ইঞ্জিনিয়ার জরিপের কাজ করে থাকে, প্রযুক্তিগত প্রতিবেদন দেয়, এমনকি প্রকল্প ব্যবস্হাপক এর কাজও করে থাকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের পরিসরঃ যেহেতু সময়ের সাথে সাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর পরিসর বাড়ছে তাই এর অনেক শাখা বের হয়েছে।এদের মাঝে উল্লেখযোগ্য হল-
১) মৃত্তিকা প্রকৌশল
২) স্ট্রাকচারাল প্রকৌশল
৩) পরিবহন প্রকৌশল
৪) পানি সম্পদ প্রকৌশল
৫) পরিবেশ প্রকৌশল

কাজের ক্ষেত্র –
অনেকে ভাবে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ে ভালো সেলারি পাওয়া যাবেনা,অবশ্যই পাওয়া যাবে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি চাকুরির ক্ষেত্র যে সিভিলেই,সেটা এখন আর কারো অজানা নয়। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করার পর আপনাকে ২/১ বছর কষ্ট করতে হতে পারে,কারন যেকোনো ভালো চাকুরির জন্য প্রয়োজন বাস্তব অভিজ্ঞতা।অভিজ্ঞতাটুকু হয়ে গেলে আপনার উন্নতি আর কেউ ধরে রাখতে পারবেনা।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কাজের ক্ষেত্রগুলো হল-
১) সড়ক ও জনপদ
২) গণপূর্ত বিভাগ
৩) রিয়েল এস্টেট কোম্পানি
৪) নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
৫) পরিবেশ নিয়ে কর্মরত বিভিন্য মাল্টি
ন্যাশনাল কোম্পানি
৬) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, ইত্যাদি।
শুধুমাত্র দেশে নয়, দেশের বাহিরেও রয়েছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের অধিক চাহিদা। আমেরিকার ৬নম্বর সেরা চাকুরি হল সিভিল। আমেরিকাতে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক বেতন নুন্যতম ৮০,০০০ ডলার থেকে ১২০,০০০ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। সময়ের সাথে সাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর গুরুত্ত্ব বাড়ছে। বর্তমানে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণ নিয়েও কাজ করে। তারা আগুনে ক্ষয় ক্ষতি যেন কম হয় সেই বিষয়েও কাজ করে। পুরাতন মিশর এর পিরামিড বা রাস্তা নির্মাণে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর ভূমিকা উল্ল্যেখযোগ্য অবদান ছিল। পানি বাতাস এবং মাটি পরিশোধনের বিভিন্য উপায় নিয়েও তারা সজাগ। পরিশেষে বলতে চাই, যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে সিভিল পরবেন কিনা তা নিয়ে দ্বিধায় আছেন তাদেরকে বলবো চোখ বন্ধ করে আমাদের জগতে চলে আসুন, কথা দিচ্ছি বিশ্বকে সুন্দর করে গড়তে আপনি সক্ষম হবেন ই।

ক্যারিয়ার হিসেবে কেমন হবে  ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং । EEE

ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং-এর জন্ম হয়েছে মূলত ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে।  ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং সংক্ষেপে অনেকেই চেনে EEE বা ইলেক্ট্রিক্যাল নামে এবং বাংলায় তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক কৌশল।। ইলেক্ট্রন নিয়েই যার কাজ, নামের মাঝেই ধারণা পাওয়া যায় । EEE কে বলাহয় “Soul of Engineering” বা “প্রকৌশলবিদ্যার আত্মা”

কেন পড়বে EEE

যদি Equation Solve করতে মজা লাগে,ফিজিক্স এর বিদ্যুতের চ্যাপ্টারগুলো অসহ্য না লাগে, তাহলে ইইই তোমাকে হতাশ করবেনা।যদি সার্কিট নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে মজা লাগে,রোধের সমান্তরাল সন্নিবেশ, হুইটস্টোন কার্শফের অঙ্ক করতে ভালো লাগে, কিংবা ফিজিক্স বা ম্যাথের জটিল জটিল সব অংকে আনন্দ খুঁজে পাওয় তাহলে বলবো ইইই শুধু তোমার ই জন্য।আবিষ্কারের নেশায় মত্ত হবার সবচেয়ে উপযুক্ত জায়গা হলো ইইই।

EEE এর শ্রেণীবিভাগ???

অনেক বড় পরিসরেই বিস্তৃত ইইই এর শ্রেণী বিভাগ। তবে আপাত দৃষ্টিতে EEE ফ্যাকাল্টিকে ভাগ করা যায় চারটি উপশ্রেণীতে।
1.Power (পাওয়ার)
2.Electronics (ইলেকট্রনিক্স)
3. Communication (কমিউনিকেশন)
4.Computers (কম্পিউটার)
যেখানে Power, Electronics এবং Communication কে ফোকাস করে এবং Computers এর প্রাথমিক প্রয়োজনীয় ধারণাকে সংমিশ্রিত করে গঠিত EEE বিষয়টি।
(এছাড়াও শুধুমাত্র Electronics এবং Communication কে ফোকাস করে গঠিত ECE/ETE বিষয়টি প্রায় ৭০% ক্ষেত্রেই EEE এর অনুরূপ।)

EEE এর উচ্চশিক্ষা

বর্তমানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামে উচ্চশিক্ষা অর্জনের গুরুত্ব পেয়েছে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই EEE পড়ার সুযোগ রয়েছে।
যেমনঃ
  • বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েট- www.buet.ac.bd 
  • রাজশাবী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)- www.ruet.ac.bd 
  • চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চুয়েট- www.cuet.ac.bd 

চাকুরীর বাজারে EEE???

EEE এর চাকরির বাজার নিয়ে কোন কথা হবেনা। EEE হলো একটা Everlasting Subject ! যত দিন পৃথিবী টিকে থাকবে ততদিন এর ডিমান্ড থাকবে। দেশে থাকতে পারলেও যেমন সোনায় সোহাগা, তেমনি দেশের বাইরে যেয়ে পড়াশোনা করারও অফুরন্ত সুযোগ। দেশে বিদেশে সব জায়গাতেই উঁচ্চমর্যাদা। চাকরিনেই, হাজার হাজার স্টুডেন্ট হয়ে গেছে, এমন শোনা কথায় কান দিয়ে লাভ নেই। যদি যোগ্যতা আর মেধা থাকে, তবে EEE পড়ে একদিনও বেকার বসে থাকতে হবেনা বরং চাকরিই তোমাকে খুঁজে নিবে।

 

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহুল আলোচিত বিষয় বিশ্বায়ন। যার অর্থ বিশ্বের জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও পরিবেশের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রয়োগের সমন্বয় সাধন। এই সমন্বয়ের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টেকনোলজিটি হল কম্পিউটার টেকনোলজি। কম্পিউটার টেকনোলজি আমাদের ইন্টারনেটের ব্যবহার নিশ্চিত করে যার মাধ্যমে মুহুর্তের মধ্যে দৈনন্দিন জীবনের যে কোন জটিল সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। ই-কমার্স, ই-বিজনেস, ই-ব্যাংকিং, ই-পুলিশ ব্যবস্থা সম্ভব শুধুমাত্র কম্পিউটার টেকনোলজি উন্নয়নের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে কর্মক্ষেত্রে এই কোর্সটির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সাসেগ-গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের বাংলাদেশের কয়েকটি জেলায় গুরুকুলে এই কোর্সটি যৌথভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

কর্মক্ষেত্র

একমাত্র কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংগণের সকল ক্ষেত্রে পেশার সুযোগ রয়েছে। সেগুলো হলো :-ইনফরমেশন এ্যান্ড কমিউনিকেশেন টেকনোলজি, ব্যাংক, বীমা, সরকারী মেইনটেন্যান্স,  পাওয়ার প্লান্ট, পিডিবি,পল্লী বিদ্যুৎ, ডেসকো, ওয়াসা, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রিনিক্স পন্য সামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সমূহ , সরকারী ও বেসরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট সমূহ সিটি কর্পোরেশন,পৌরসভা , ভোকেশনাল স্কুল , টিটিসি, টিএসসি, সৌর বিদ্যুৎ ,পরমানু গবেষনা কেন্দ্র, বাণিজ্যিক ব্যাংক, শিল্প-কারখানা, গার্মেন্টস ইন্ডাষ্ট্রি ইত্যাদি সহ আরো অনেক সরকারী/ বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে চাকুরীর সুবিধা রয়েছে।

কোর্স কারিকুলাম

ডিপ্রোমা ইন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের শিক্ষার্থীরা দৈনিন্দিন জীবনে কম্পিউটারের নানামূখী ব্যাবহার ও ছোট্র ছোট্র প্রোগ্রাম তৈরী,রোবট তৈরী ও নানামূখী আবিস্কার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা পায়।এছাড়া কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরী করার ক্ষেত্রে ,কম্পিউটার মেরামত ও কম্পিউটার টাবল শোটিং এর কাজ ও ডাটাবেজ প্রোগ্রাম তৈরী করার ক্ষেত্রে প্রশিক্ষন দেওয়া হয়। এছাড়া বাংলাদেশের কম্পিউটারের বিভিন্ন আবিস্কার সম্পর্কে ধারনা দেয়া হয়। তাত্বিক ক্লাসের পাশাপাশি শিক্ষাথীর্দের নিয়মিত ব্যবহারিক ক্লাস গ্রহণ করা হয় যাতে শিক্ষার্থীরা কর্মমূখী জ্ঞানলাভ ও দক্ষ হয়ে গড়ে উঠতে পারে। এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক প্রশিক্ষন দেয়া হয় যাতে বর্তমানে পেক্ষাপটের সাথে তাল মিলিয়ে তা নিজিকে প্রতিষ্টিত করতে পারে।

 

মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ালেখা করা মানেই নিজেকে নৌ পেশায় সম্পৃক্ত করার সুবর্ণ সুযোগ। এ পেশার সব চাকরিই সৌখিন ও আনন্দময়। সমুদ্রযাত্রা কে না ভালোবাসে। আপনিও পারেন আপনার স্বপ্নের রঙিন ক্যারিয়ার হিসেবে এ সৌখিন পেশাকে বেছে নিতে।

ভর্তির যোগ্যতা: এস.এস.সি কিংবা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।

কোর্সের মেয়াদ: ৪ বছর।

ক্যারিয়ার সম্ভাবনা

মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের ক্যারিয়ার গড়তে অনেক ক্ষেত্র রয়েছে যেমন- স্বল্প খরচে সিঙ্গাপুর, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, কাতার, দুবাই ইত্যাদি দেশে চাকরির পাশাপাশি উচ্চশিক্ষাও নিতে পারবেন। বাংলাদেশ শিপবিল্ডিং কর্পোরেশন, খুলনা শিপইয়ার্ড, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ডে রয়েছে চাকরির ব্যাপক চাহিদা। বাংলাদেশ নেভি, বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসি ইত্যাদি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ার গড়ার রয়েছে সুবর্ণ সুযোগ। দেশী-বিদেশী জাহাজে নাবিকসহ ভালো মানের চাকরি রয়েছে।

কর্মক্ষেত্র ও আয়

মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনার পর বেকার থাকা বা কাজ না পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এখানে আয়-রোজগারের বিষয়টা প্রতিষ্ঠানভেদে হয়ে থাকে। অনেকটা দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে। নারায়ণগঞ্জ মেরিন ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ এম আকরাম আলী জানান, একজন ছাত্র পেশাগত জীবনে বিদেশী প্রতিষ্ঠানে ২০ হাজার থেকে ৪ লাখ টাকা আয় করতে পারবে ও দেশি জাহাজ বা অন্য প্রতিষ্ঠানে ১৫ হাজার থেকে আড়াই লাখ টাকা আয় করতে পারে। বিদেশী জাহাজে চাকরিরত অফিসার মাসুদ আহমেদ জানান, এখানে থাকা-খাওয়া ও বেতন সবকিছুই মানসম্মত।